বাণী

সময় তার প্রকৃত নিয়মানুসারে ধাবিত হয় মহাকালের অন্তহীন গহীনে।যে শিক্ষায়তন সারাদেশে নারী শিক্ষার আলোক শিখাকে আজো রেখেছে দীপ্যমান, সমুজ্জল সেই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষানিকেতন ঝিনাইদহ সরকারি নূরননাহার মহিলা কলেজ সময়ের এই গতিশীলতায় দিন বদলের পালায় গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজ়েলার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে উচ্চশিক্ষায় উন্নীত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানেরআজ়কের যে অভাবনীয় পরিবর্তন এবং সুনাম তার অগ্রভাগে রয়েছে সুযোগ্য ও বিদ্যোৎসাহী প্রাক্তন জেলাপ্রশাসক জনাব গোলাম মর্তুজা কলেজ পরিচালনা পরিষদের প্রথম সভাপতি, খোন্দকার শাখাওয়াত হোসেন হিলু, এ্যাডঃ আমীর হোসেন মালিতা, রায়হান মিয়া, প্রাক্তন চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মশা, ডাঃ আজিজুর রহমান, মোঃ মতিয়ার রহমান, মোঃ আলফাজ মিয়া, রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাঃ এরশাদ দশ লক্ষ টাকা দান করেন। সরকারি নূরননাহার মহিলা কলেজের অস্তিত্বের সাথে যে দুটি নাম স্বর্ণাক্ষরে ও যুগ্মভাবে চিরস্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকবে তাঁরা হলেন প্রাক্তন ঝিনাইদহ জেলাপ্রশাসক জনাব গোলাম মর্তুজা ও মরহুম জনাব নূরুননবী সিদ্দিকী মদনমোহন পাড়াস্ত ৩১ শাতংশ জমির উপর নির্মিত সুরম্য ও ব্যয়বহুল দ্বিতল বিশিষ্ট বাড়িটি সিদ্দিকী সাহেব কলেজকে দান করেন এবং পরবর্তীতে আরো দশ লক্ষ দান করেন।এভাবেই ১৯৮৫ সালের ১লা আগস্ট ১৪ জন ছাত্রী নিয়ে এর যাত্রা প্রতিষ্ঠালাভ করে নূরুননাহার মহিলা কলেজ, পূরণ হয় ঝিনাইদহের আপামর জনসাধারণের একান্ত প্রাণের দাবী।প্রাক্তন ঝিনাইদহ জেলাপ্রশাসক জ়নাব গোলাম মর্তুজা স্যারের অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন সুস্পষ্ট নির্দেশনা। আমি শুধু নির্দেশনা মত আমার শিক্ষক কর্মচারীদের ভাল কিছু করার পথ দেখিয়েছি মাত্র। তদনুযায়ী নিরলস ভাবে আন্তরিকতার সাথে শিক্ষাদানেব্র তীহয়ে কাজ় করে চলেছেন আমার একঝাঁক তরুণ শিক্ষক। সহযোগিতা করছে আমার কর্মচারীরা । অনুগত আমার প্রাণ প্রিয় শিক্ষার্থীরা । বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১ সফল করার লক্ষ্যে নিভৃত পল্লীর এ বিদ্যায়তনে বাস্তব ধর্মী কনটেন্ট তৈরী করে প্রজ়েক্টরের মাধ্যমে শ্রেণি পাঠ দান করানো হচ্ছে যা ইতোমধ্যে শিক্ষক ব্লগে সমাদৃত হয়েছে। জ়াতীয় উন্নতির মূল সোপান সার্বজ়নীন এবং বাস্তব মুখী মানসম্মত শিক্ষা দানের প্রত্যয়, শিক্ষার্থীদের সৎ, চরিত্রবান, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়েতোলার লক্ষ্যে সদা শয় সরকারের সুদৃষ্টি ও এলাকাবাসীসহ সকলের দোয়া কামনা করছি। বাংলাদেশ সরকারে ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন সফল হোক। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবি হোক ।