ঐতিহ্যযমণ্ডিত সরকারী নূরননাহার মহিলা কলেজের সংক্ষিপ্ত কিছুকথা

দক্ষিণ বঙ্গের গুরুত্বপূর্ণও তাৎপর্যমন্ডিত জেলা ঝিনাইদহ। ঝিনাইদহ তথা বাংলাদেশের গর্ব সুসাহিত্যিক, বিখ্যাতকবি ও সুপন্ডিত ব্যক্তিত্ব কবি গোলাম মোসাফা, আধ্যাত্মিক ও মরনীকবি লালনশাহ ও পাগলাকানাই, অংকশাস্ত্র বিশারদ কে,পি বসুর মত যোগ্য সন্তানদের বক্ষে লালন করে এ জেলা হয়েছে ধন্য। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলে ও সত্য, ক্যাডেট কলেজ সহ বহু নামিদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও স্বতন্ত্র কোন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ থেকে এ জেলার মেয়েরা ছিল বঞ্চিত। নারীশিক্ষার অগ্রগতি ছাড়া দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি আদৌ সম্ভব না-এ কথা উপলব্ধি করে ঝিনাইদহে মেয়েদের জন্য একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পান সুযোগ্য ও  বিদ্যোৎসাহী প্রাক্তন জেলাপ্রশাসক জনাব গোলাম মর্তুজা। তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করেন ঝিনাইদহের উদারমনা ব্যক্তিবর্গ। কলেজ নির্মাণে গৌরবদীপ্ত ভূমিকা রাখার জন্য যারা সদা স্মরনীয় তারা হলেন, প্রাক্তন জেলাপ্রশাসক জনাব গোলাম মর্ত্তুজা,কলেজ পরিচালনা পরিষদের প্রথম সভাপতি, সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাঃ এরশাদ (যিনি কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্নে ১০,০০.০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা দান করেন। জনাব খোন্দকার শাখাওয়াৎ হোসেন (হিলু মিয়া),এ্যাডঃ আমীর হোসেন মালিতা, রায়হান মিয়া, প্রাক্তন চেয়ারম্যা নজনাব মোশারফ হোসেন মশা,ডাঃ আজিজুর রহমান, মোঃ মতিয়ার রহমান, আলফাজ মিয়া প্রমূখ। আর এভাবেই ১৯৮৫ সালের ১লা আগস্ট প্রতিষ্ঠালাভ করে নূরুননাহার মহিলা কলেজ,পূরণ হয় ঝিনাইদহের আপামর জনসাধারণের একান্তপ্ রাণের দাবী।